অনলাইন ইনকাম (online income) করার সেরা উপায় গুলো

4
124
অনলাইন ইনকাম (online income) করার সেরা উপায় গুলো
অনলাইন ইনকাম (online income) করার সেরা উপায় গুলো

বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ মানুষ অনলাইন ইনকাম (online income) করে তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন। এখন আপনি ও যদি অনলাইন টাকা ইনকাম করার কথা চিন্তা করেন তাহালে এই আর্টিকেলটি পড়ুন।

বর্তমান এই আধুনিক প্রযুক্তির ফলে মানুষ সকালে ঘুম থেকে উঠার পর থেকে রাতে ঘুমানোর আগে পর্যন্ত প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে। মানুষের এই প্রযুক্তি এবং অনলাইন নির্ভর মন মানসিকতা ইন্টারনেট থেকে ইনকামের অনেক দ্বার উন্মোচিত করেছে।

আপনারা যদি একটু বাহিরের জগৎ সম্পর্কে খবর নিয়ে দেখেন খুব সহজে মানুষরা অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করছে। তাছাড়া আমাদের দেশ সহ বাহিরের দেশ গুলোর লাখ লাখ মানুষ এই অনলাইন ইনকাম (online income) এর উপর নির্ভরশীল।

চাইলে আপনি ও ইন্টারনেটের বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি গুলো ব্যবহার করে ইনকাম করতে পারবেন। এখন আপনি যদি চান তাহালে আজকের এই লেখাটি শুধু আপনার জন্যই।

এই লেখার মাধ্যমে আমরা “অনলাইন ইনকাম (online income)” করার অনেক গুলো উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো। এখন আপনি যদি এই সম্পর্কে নতুন হয়ে থাকেন তাহালে, এই লেখা গুলো আপনার অবশ্যই কাজে লাগবে।

অনলাইন ইনকাম (online income) করার সেরা উপায় গুলো

এখান থেকে ১০ বছর আগে আনলাইন টাকা ইনকাম করাটা যতটা কঠিন ছিলো, কিন্ত বর্তমানে খুব সহজ। আমাদের দেশের প্রযুক্তি হাটি হাটি পা পা করে যেভাবে এগিয়ে এসেছে তাতে আমরা কেউ ভাবতে পারিনি এখান থেকে ১০ বছর পরে online income করতে পারবো।

আসলে সেই স্বপ্ন আজ সত্ত্যি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অনলাইন থেকে শুধু মানুষ ইনকাম ইনকাম নয়, বরং এই আয়ের মাধ্যমে তাদের পরিবারের স্বচ্ছতা ফিরে এসেছে।

বর্তমানের আধুনিক বিশ্বের প্রায় সকল কাজ গুলো অনলাইনের মাধ্যমে হচ্ছে। স্কুল কলেজ, অফিস আদালত থেকে শুরু করে সব কাজ এর মাধ্যমে হচ্ছে। 

আপনি এখন যদি কোনো কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করতে চান তাহালে সেটাও অনলাইনের মাধ্যমে ফর্ম তুলতে হবে। এই ভর্তি ফর্ম আপনি দেশ বিদেশের যেকোনো জায়গা থেকে থেকে পূরণ করতে পারবেন।

আবার ধরুন আপনি চাকরির জন্য আবেদন করবেন সেক্ষেত্রে ও আপনাকে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আর এই কাজ গুলো করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি ডিজিটাল ডিভাইস।

তবে, হা এই কাজ করে শুরুতে আপনি লাখ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন এমন গ্যারান্টি আমি দিতে পারবো না। এর জন্য আপনাকে ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে। আর সঠিক ভাবে কাজ শিখতে পারলে অনলাইন থেকে প্রতিমাসে বড় অংকের টাকা আয় করতে পারবেন।

আমি কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করবো? (How to online income)

আমার আপনার কাছে অনলাইন টাকা আয় নতুন হলেও এটা কিন্ত শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকে। সত্যি কথা বলতে ঘরে বসে স্বাধীন ভাবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ কিন্ত খুব কম পেশায় রয়েছে। 

তাছাড়া, online income করার জন্য আপনাকে তেমন কিছুই করতে হবে না। আপনার মেধা কাজে লাগিয়ে যেকোনো কাজে লাগিয়ে নিজেকে দক্ষ বানিয়ে নিলে নিয়মিত ইনকাম করতে পারবেন। 

আপনি ছাত্র ছাত্রী, গৃহিণী, চাকরিজীবী যাই হন না কেন, এই সেক্টর থেকে সহজে ইনকাম করতে পারবেন। ধরুন আপনি একজন ছাত্র। এখন আপনি যদি পড়াশোনা করার পাশাপাশি নিজের খরচ নিজে চালিয়ে নিতে পারেন, তাহালে বিষয়টা কিন্ত অনেক ভালো হয়। 

আপনি একটু ভেবে দেখুন প্রতিদিন কত সময় আপনি ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবে ব্যায় করছেন। আপনি চাইলে এই মূল্যবান সময় গুলো ব্যায় না করে এখান থেকে ইনকাম করা সম্ভব। 

তাছাড়া, আপনি যদি অবসর সময় এই কাজে ব্যায় করেন, তাহালে কোনো খারাপ চিন্তা মনের মধ্যে আসতে পারবে না। আর আপনি যদি নিজের খরচ নিজে জোগাড় করতে পারেন, তাহালে নিজের মনের কাছে অন্যরকম একটা ভালোলাগা কাজ করে।

অনলাইন আয় করার উপায় গুলো (online income bd)

অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে কে না চাই! আমাদের সকলের ইচ্ছা আমরা কিছু না কিছু করে আয় করি। মনে রাখবেন online income করার জন্য অনেক গুলো সোর্স রয়েছে।

তবে, এর মধ্যে অনেক ভালো খারাপ দিক রয়েছে। আজকে আমি আপনাদের সাথে অবশ্যই ভালো দিক গুলো তুলে ধরবো এবং প্রতিটা বিষয় সম্পর্কে a টু z আলোচনা করবো।

আমি আগেই বলেছি এই কাজ করার জন্য আপনাকে তেমন কিছুই লাগবে না। তবে, এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি ডিজিটাল ডিভাইস, ইন্টারনেট কানেকশন এবং আপনার কাজ করার ইচ্ছা শক্তি।

কিভাবে অনলাইনে কাজ করে টাকা আয় করবেন চলুন সেই ব্যাপারে নিচে জেনে আসি।

(১) ব্লগিং (blogging) করে অনলাইন ইনকাম করুন

আমরা যদি ব্লগিং (blogging) করে টাকা আয় করতে চাই তাহালে প্রথমে আমাদের জানতে হবে ব্লগিং কি সেই ব্যাপারে। কারণ অনেক নতুন ভিজিটর রয়েছে যারা জানেন না blogging কি?

ব্লগ কি (what is blog)

সহজ ভাবে বললে ব্লগ হলো আপনার একটি ডায়েরির মতো। এটা এমন একটি ডায়েরি যেখানে আপনি নিজের মনের খুশি মতো খুলতে পারবেন। যেমন- স্টোরি, টিউটোরিয়াল, এসএমএস, শায়েরি, নিউজ, কবিটা সহ যেকোনে বিষয়ে আর্টিকেল লিখতে পারবেন।

তবে, আপনাকে এতোটুকু ধ্যান রাখতে হবে আপনি যে বিষয়ে লিখছেন সেটা সম্পর্ন এবং পরিস্কার ভাবে লিখতে হবে। কারন, এটা আপনার পার্সোনাল ডায়েরি কেউ না দেখলে ও কিছু দিন পরে আপনার ব্লগের লেখা গুলো কেউ না কেউ পড়বে।

আর আপনার লেখা গুলো যদি মানুষের কাছে ভালো না লাগে তাহালে তাহালে কখনো আপনি ব্লগিং ক্যারিয়ারে সফলতা অর্জন করতে পারবেন না। তবে, পার্সোনাল ডায়রির মতো ব্লগে আমি হাতে কলমে লিখতে পারবেন না।

ব্লগ লেখার জন্য আপনাকে কিছু জিনিসের প্রয়োজন হবে। এই প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো হলো একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ, ইন্টেরনেট কানেকশন, কম্পিউটার চালানোর নলেজ এবং আপনি যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন সেই বিষয়ে জ্ঞান।

এই বিষয় গুলো যদি আপনার কাছে থাকে তাহালে ইন্টারনেটে বর্তমানে এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যাদের মাধ্যমে আপনি একটি “ফ্রি ব্লগ তৈরি” করতে করার সুবিধা দিবো।

এখন আপনি যদি চিন্তা করেন আপনার তৈরি করা ব্লগে ট্রাফক (traffic) বা ভিজিটর্স (visitors)  আসবে কোথায় থেকে। এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো, গুগল সার্চ, ইয়াহু সার্চ, সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্য ব্লগ থেকে।

আমি এই বিষয়ে আমার এই ব্লগে বলেছি কিভাবে Google search এবং social media থেকে নিজের ব্লগের জন্য হাজার হাজার ভিজিটর্স বা ট্রাফিক নিয়ে আসতে হয়।

মনে রাখুন, আপনি যদি ব্লগে সফলতা পেতে চান তাহালে ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর্স এর প্রয়োজন হবে। এই ট্রাফিক বা ভিজিটর্স গুলো আপনি Google, Yahoo এবং social media থেকে পাবেন।

আশাকরি ব্লগ কি এবং কাকে বলে সেট বিষয়ে আপনারা সম্পর্ন ভাবে জানতে বা বুঝতে পারছেন। তাহালে চলুন এবার নিচে থেকে জেনে আসি ব্লগ কিভাবে তৈরি করবেন এই সম্পর্কে।

কিভাবে ব্লগ তৈরি করবেন?

আসলে ব্লগ তৈরি করার অনেক গুলো উপায় বা মাধ্যম রয়েছে। যার মধ্যে প্রায় সবাই দুইটি মাধ্যম ব্যবহার করে। এই দুইটি মাধ্যম হলো – 

  1. Self hosted WordPress
  2. Free blogger blog

আপনি যদি সেল্ফ হোস্টেড ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ তৈরি করতে চান তাহালে অল্প কিছু টাকা খরচ করতে হবে। এই বিষয়ে আমি বিস্তরিত ভাবে এইটি আর্টিকেল লিখবো।

আর আপনি যদি ফ্রি ব্লগার দিয়ে একটি ব্লগ তৈরি করেন তাহালে এক টাকাও খচর করার প্রয়োজন নেই। আপনি সম্পর্ন ফ্রিতে একটি ব্লগ বানিয়ে নিতে পারবেন।

ফ্রি ব্লগ তৈরি করার জন্য আপনাকে প্রয়োজন হবে একটি গুগল একাউন্ট বা জিমেইল একাউন্ট এর। কারণ, blogger.com হলো গুগলের একটি প্রডাক্ট বা সার্ভিস।

তাই, blogger.com এ ব্লগ তৈরি করার জন্য প্রথমে এই ওয়েবসাইটে গিয়ে “Create A Blog” লেখা অপশনে ক্লিক করুন। এবার আপনকে বলা হবে জিমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার জন্য।

লগইন করার পরে আপনি ব্লগে Setup page দেখতে পাবেন। এবার Setup page থেকে “Create google plus account” অপশনে ক্লিক করুন।

গুগল প্লাস একাউন্ট তৈরি করার পরে “Continue to blogger” এই লিংকে ক্লিক করুন। এবার নিজের ব্লগের ড্যাশবোড দেখতে পাবেন। Blogger dashboard এ লগইন করার পরে “Create a blog” অপশনে ক্লিক করে সহজে ফ্রি ব্লগ বানিয়ে নিতে পারবেন।

আশাকরি ব্লগ কিভাবে তৈরি করতে হয় সেই বিষয়ে আমি আপনাদের বুঝাতে পারছি। চলুন এবার জেনে আসি ব্লগ থেকে আয় করার উপায় সম্পর্কে।

ব্লগ থেকে টাকা আয় করার উপায়

আসলে ব্লগ থেকে টাকা আয় করার অনেক গুলো উপায় রয়েছে। তবে, এই উপায় গুলোর মধ্যে সেরা উপায় তিনটি সম্পর্কে নিচে উল্লেখ করছি।

ব্লগ থেকে টাকা আয় করার সেরা ৩ টি উপায় হলো-

  • গুগল এডসেন্স (Google AdSense) 
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)
  • প্রডাক্ট প্ররোমশন (Product Promotion)

উপরের এই উপায় গুলো ছাড়া আরো অনেক উপায় রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি ব্লগ থেকে আয় করতে পারবেন। ধীরে ধীরে বিষয় বুঝতে পারেন।

(২) ইউটিউব (YouTube) থেকে অনলাইন ইনকাম করুন

যখন online income করার কথার আসছে তখন আপনার কাছে লাভজনক দুইটি উপায় রয়েছে।

  1. Blogging (সেহেতু ব্লগিং সম্পর্কে আমি উপরে বলেছি)
  2. YouTube

বর্তমানে অনেক মানুষরা YouTube এর তুলনায় blogging করে টাকা ইনকাম করতে পছন্দ করছে। কারণ তারা মনে করছে গুগল এডসেন্স থেকে অধিক পরিমানে ভালো ইনকাম করা সম্ভব। তাছাড়া অনেকে আবার ভিডিও তৈরি করার চেয়ে আর্টিকেল লেখার কাজকে সহজ বা পছন্দ মনে করেন।

কিন্ত, যখন কথা আসছে ইউটিউব থেকে ইনকাম করার, YouTube এর অবশ্যই কিছু লাভ রয়েছে। এখানে আপনি নিজের পছন্দের কিছু বিষয়ের উপর ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে সেগুলোকে নিজের চ্যানেলে আপলোড করলে হয়ে গেল।

এবার নিজের YouTube channel টিকে monetization চালু করে, আপলোড করা ভিডিও গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে ইনকাম করতে পারবেন। আপনি YouTube থেকে Blogging এর তুলনায় অধিক পরিমানে বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কারণ, প্রতিটি Text content এর তুলনায় video content দেখতে মানুষরা বেশি পছন্দ করে। যে কারণে আপনার আপলোড করা ভিডিও গুলো অধিক পরিমানে মানুষরা দেখবে এবং ইনকাম হবে। এবার আপনি হয়তো ভাবছেন ইউটিউব থেকে কিভাবে আয় করা যায়? এর সম্পর্ন প্রক্রিয়াটি কি?।

Steps to earn money from YouTube channel

ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার উপায় সহজ মনে হলেও শুরু থেকে অনেক বেশি নজর দিয়ে কাজ করতে হবে। আর এই প্রতিটি বিষয়ে আমি নিচে এক এক করে বলে দিয়েছি।

  • প্রথমে আপনাকে YouTube.com এই ওয়াবসাইটে গিয়ে নিজের Gmail account / ID ব্যবহার নতুন একটি “YouTube channel create” করতে হবে।
  • নিজের চ্যানেলের ছোট সুন্দর একটি নাম দিতে হবে। এমন নাম দিবেন যাতে শুনলে বুঝা যায় আপনি কোন বিষয়ে ভিডিও আপলোড করবেন।
  • এবার YouTube channel কে আকর্ষণীয় ও প্রফোসানাল করার জন্য “channel art, channel logo, channel details” দিতে হবে।
  • আপনার চ্যানেলের ভিডিও গুলো আকর্ষণীয় করার জন্য ৩-৪ সেকেন্ডের “Intro video” বানাতে হবে।
  • এবার আপনি ভালো কোয়ালাটির ভিডিও তৈরি করবেন যেনন মানুষরা দেখে কাজের মনে করে।
  • ভিডিও তৈরি করার পরে ভিডিও গুলো চ্যানেলে আপলোড করার সময় video title, description, tags, thumbnail দিয়ে পাবলিশ করুন।
  • Public করা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে শেয়ার করুন।
  • এভাবে ভিডিও পাবলিশ করতে করতে আপনার YouTube videos তে views এবং subscriber বাড়তে থাকবে।

সবশেষে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে যখন ভালো পরিমানে ভিউ এবং সাবস্ক্রইবার চলে আসবে, তখন আপনি বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউব থেকে আয় করার উপায় গুলো কি কি?

আপনার YouTube channel এ একবার যখন ভালো পরিমানে সাবস্ক্রইবার (subscriber) হয়ে যাবে, তখন ভিডিও আপলোড করলে ভালো পরিমানে ভিউস আসতে থাকবে।

আপনি তখন থেকে নিচে দেওয়া উপায় গুলো ব্যবহার করে অনলাইন ইনকাম শুরু করতে পারবেন।

  • Google AdSense থেকে ইনকাম
  • Affiliate marketing থেকে আয়
  • Sponsored videos
  • Sell own products

১. Google AdSense

বর্তমানে সকল ইউটিউবার রা তাদের চ্যানেল থেকে Google AdSense থেকে Income করতে চাই। এখন আপনি যদি ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে চাই তাহালে এই একই উপায় ভাবতে হবে। YouTube channel এ “monetize” নামে একটা অপশন রয়েছে।

এই option এ গিয়ে “monetize enable” করলে আপনার চ্যানেলের সকল ভিডিও গুলোতে এডসেন্সের বিজ্ঞাপন দেখানো হবে। এই ভিডিও গুলোর মাধ্যমে যত বেশি সংখ্যক মানুষরা বিজ্ঞাপন দেখবে এবং বিজ্ঞাপন ক্লিক করবে ততো বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

তবে, মনে রাখবেন YouTube চ্যানেল থেকে “AdSense monetization” চালু করার জন্য তাদের নিয়ম গুলো আপনাকে ফলো করতে হবে। আমি নিয়ম গুলো নিচে উল্লেখ্য করছি।

আপনার চ্যানেলে ১০০০ সাবস্ক্রইবার থাকতে হবে।

১ বছরের মধ্যে ৪০০০ ঘন্টা ওয়ার্চ টাইম থাকতে হবে। (চ্যানেলের সকল ভিডিও মিলে)

আপনি যে দেশ থেকে ইউটিউব মনিটাইজেশন (YouTube monetization) নিতে চাচ্ছেন সেখানে  YouTube partner program availability থাকতে হবে। লিংক

আপনাকে অবশ্যই YouTube channel monetization এর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। লিংক 

উপরের বিষয় গুলো দিকে নজর রেখে monetization apply করার পরে YouTube এর অফিসিয়াল টিম আপনার চ্যানেল টিকে রিভিউ করে দেখবে এবং তারা আপনাকে ইমেইলের মাধ্যমে তাদের সিদ্ধন্ত জানাবে।

২. Affiliate marketing

আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে অনেক বেশি পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আসলে affiliate marketing হলো এমন একটি মাধ্যম যেখানে আপনি যেকোনো কোম্পানির প্রডাক্ট বা সার্ভিস গুলো বিক্রি করে কমিশন হিসাবে আয় করতে পারবেন।

মনে করুন, আপনি একটি ল্যাপটপের রিভিউ করলেন চ্যানেলে এবং description box এ ল্যাপটপটি কেনার জন্য affiliate purchase link দিয়ে দিলেন। এবার যত মানুষরা আপনার দেওয়া affiliate link থেকে purchase করবে ততো ল্যাপটপ কোম্পানি আপনাকে বেশি কমিশন দিবে।

এভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির প্রডাক্ট গুলো বিক্রিয় করে ইনকাম করতে পারবেন। এমন অনেক YouTuber আছেন যারা affiliate marketing করে YouTube থেকে প্রচুর পরিমানে টাকা আয় করছে।

৩. Sponsored videos

sponsored থেকে ইনকাম করার জন্য আপনার YouTube channel অনেক জনপ্রিয় হতে হবে। মানে আপনার চ্যানেলে যখন লক্ষ লক্ষ সাবস্ক্রইবার হয়ে যাবে তখন আপনার চ্যানেল জনপ্রিয় হবে।

তখন অনেক কোম্পানি তাদের প্রডাক্ট গুলো রিভিউ করার জন্য আপনাকে বলবে, আপনি সেই সকল কোম্পানি প্রডাক্ট গুলো রিভিউ করে অনলাইনে মার্কেটিং বা প্রচার করতে করবেন। এই ধরবের ভিডিও গুলোকে বলা হয় sponsored video যার বিনিময়ে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

৪. Sell own products

আপনার নিজের যদি কোনো products বা services থাকে তাহালে সে গুলোর ভিডিও তৈরি করে নিজের চ্যানেলে পাবলিশ করতে পারেন। এতে আপনি সহজে প্রডাক্ট গুলো সম্পর্কে মানুষকে জানাতে পারবেন এবং কাস্টমার পেয়ে যাবেন।

এই প্রক্রিয়া কাজে লাগিয়ে অনেক ব্যবসায়ী তাদের পন্য মার্কেটিং করছে। যার ফলে আপনি ঘরে বসে গ্রাহক পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

YouTube কেন লাভজনক ইনকাম মাধ্যম?

আমি আগেও বলেছি ইউটিউব হলো ঘরে বসে অনলাইন ইনকাম করার সব থেকে সেরা ও অধিক লাভজনক মাধ্যম। এই কারণ গুলো হলো,

  • No investment
  • Earn money fast
  • Fast AdSense approval
  • Unlimited income
  • Work from home

No investment

ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার জন্য আপনাকে কোনো প্রকার ইনভেস্টমেন্ট করতে হবে না। আপনি সম্পর্ন ফ্রিতে একটি চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন। তবে, এখানে প্রথমে আপনাকে সময় এবং ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে।

আপনার কাছে যে এন্ড্রয়েড মোবাইল রয়েছে আপনি সেটা দিয়ে ভিডিও রেকার্ড করে সুন্দর ভাবে এডিটিং করে নিজের চ্যানেলে আপলোড করতে পারবেন। আর আপনি সম্পর্ন ফ্রিতে এই কাজ গুলো করতে পারবেন।

Earn money fast

ইউটিউব থেতে আপনার দ্রুত সময়ের মধ্যে ইনকাম করার সম্ভবনা রয়েছে। কেননা, আমরা সবাই ভিডিও দেখতে অনেক পছন্দ করি। এজন্য ভালো মানের ভিডিও তৈরি করলে অনেক দ্রুত ভিউস এবং সাবস্ক্রইবার পাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

আর আপনি যত দ্রুত views এবং subscriber পাবেন ততো দ্রুত নিজের চ্যানেলে থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

Fast AdSense approval

ব্লগিং এর তুলনায় ইউটিউবে অনেক দ্রুত সময়ে Google AdSense approval দিয়ে থাকে। আপনি নিজের চ্যানেলের জন্য ভালো ভালো ভিডিও তৈরি করে আপলোড করলে, অনেক তাড়াতাড়ি ভালো পরিমানে views এবং subscriber পেয়ে যাবেন।

পরে আপনি YouTube monetization (AdSense) এর জন্য আবেদন (apply) করতে পারবেন। যদি আপনি তাদের সকল পলিসি গুলো মেনে কাজ করেন তাহালে দ্রুত এডসেন্স এপ্রুভাল করে দিবে।

Unlimited income

YouTube এর মাধ্যমে আপনি কত টাকা আয় করতে পারবেন সেটার কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। বর্তমানে অনেকে নিজের চ্যানেলের দ্বারা প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে। মোট কথা এখানে আপনি যত বেশি কাজ করতে পারবেন ততো বেশি পরিমানে ইনকাম করতে পারবেন।

মনে রাখবেন, YouTube থেকে ইনকাম করার মূল উপায় হলো subscriber. মানে আপনার চ্যানেলে যত বেশি সাবস্ক্রইবার থাকবে ততো বেশি ইনকাম করা সুযোগ থাকছে।

Work from home

YouTube এ কাজ করার মজার ব্যাপার হলো আপনি নিজের ঘরে বা যেকোনো জায়গায় বসে কাজ করতে পারবেন। আপনি নিজের ঘরে যেকোনো পছন্দের জায়গায় গিয়ে ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।

একই ভাবে ভিডিও এডিটিং (video editing) সহ ইত্যাদি কাজ গুলো ঘরে বসে করতে পারবেন। এখন আপনি যদি YouTube কে একটি ব্যবসা হিসাবে নিয়ে কাজ করার কথা ভাবেন তাহালে সম্পর্ন প্রক্রিয়া গুলো ঘরে বসে করতে পারবেন।

(৩) ফেসবুক পেজ (facebook page) থেকে অনলাইন ইনকাম করুন

ইউটিউবের মতো আমরা নিজের ফেসবুক পেজে ভিডিও আপলোড করে টাকা ইনকাম করতে পারবো। ফেসবুক অফিসিয়ালি ভাবে নতুন ভিডিও  মনিটাইজেশন সার্ভিস চালু করেছে। যার মাধ্যমে আপনারা ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আপনারা যেকেউ নিজে একটি পেজ তৈরি করে, সেখানে ভিডিও আপলোড করে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে এই, Facebook থেকে টাকা আয় করার উপায় সব থেকে বেশি লাভজনক হয়ে দাঁড়িয়াছে।

নিজের চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করার উপায় শুধুমাত্র ইউটিউবে ছিলো। কিন্ত বর্তমানে ফেসবুক অফিসিয়ালি ভাবে জানান, ফেসবুক পেজে ভিডিও আপলোড করে টাকা আয় করা যাবে।

ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার এই নতুন পদ্ধতিতে বলা হয় “Facebook video monetization” বা “ad breaks”. এই ad breaks বা “ফেসবুক ভিডিও মনিটাইজেশন” করার জন্য আপনার পেজের কিছু নিয়ম মানতে হবে।

এই নিয়ম গুলো মেনে কাজ করলে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। তাহালে, চলুন নিচে থেকে জেনে আসি ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় গুলো সম্পর্কে।

Facebook ad breaks কি?

Facebook ad breaks হলো এমন একটি সার্ভিস যার মাধ্যমে আপনার নিজের ফেসবুক পেজে আপলোড করা ভিডিও গুলোতে বিজ্ঞাপন বা এড দেখাতে পারবেন। এই এড বা বিজ্ঞাপন গুলো মানুষরা যখন দেখবে বা ক্লিক করবে তখন আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ভিডিওতে দেখানো বিজ্ঞাপন গুলো স্বাভাবিক ভাবে দেখানো হয়। তবে, আপনি চাইলে ভিডিওতে  বিজ্ঞাপন গুলোকে নিজের পছন্দমত জায়গায় দেখাতে পারবেন। এই প্রক্রিয়া গুলো সম্পর্ন ভাবে ইউটিউবের মতো।

মনে রাখবেন, আপনি এই ফেসবুক মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে কেবল ফেসবুক পেজে ভিডিও আপলোড করে টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি যদি নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে ভিডিও আপলোড করেন তাহালে কিন্ত টাকা আয় করতে পারবেন না।

ফেসবুক পেজে ভিডিও আপলোড করে টাকা আয় করতে হলে, তাদের কিছু নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। চলুন সেই নিয়ম গুলো নিচে থেকে জেনে আসি।

Facebook ad breaks eligibility – (যোগ্যতা)

ফেসবুক ad breaks এই সার্ভিস ব্যবহার করার জন্য আপনাকে কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন হবে। এই যোগ্যতা গুলো যদি আপনার পেজে না থাকে তাহালে আপনি “ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম” করতে পারবেন না।

তবে, মনে রাখবেন ad breaks এর যোগ্যতা বা নিয়ম কানুন গুলো তেমন কঠিন কোনো বিষয় না। একটু সময় নিয়ে কাজ করলে আপনারা এই যোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন।

Ads breaks eligibility rules

আপনার নিজের একটি ফেসবুক পেজ থাকতে হবে। কারণ, আগেই বলেছি ad breaks এর বিজ্ঞাপন পেজের ভিডিওতে দেখিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

  • আপনার Facebook page এ ১০,০০০ লাইক (Likes) বা ফলোয়ার্স (followers) থাকতে হবে।
  • আপনার পেজে এমন সকল কনটেন্ট, ভিডিও, ছবি আপলোড করতে হবে, যেগুলো Facebook policy কে ফলো করা হয়েছে। মানে এমন ভিডিও, ছবি পাবলিশ করতে হবে যেগুলো ফ্যামিলি সহ সবাই দেখতে পারে।
  • ফেসবুক পেজের দেশ, ভাষা এর সার্পোট করতে হবে। যেমন- বাংলাদেশ, ভারত সহ এশিয়ার অনেক দেশে ফেসবুক মনিটাইজেশন অন করে দিয়েছে।
  • পেজের ভিডিও গুলো মিলে মোট ৩০,০০০ ভিউস হতে হবে এবং এই ভিউস গুলো কমপক্ষে ১ মিনিটের হতে হবে। আর আপনার ভিডিও গুলো কমপক্ষে ৩ মিনিটের হতে হবে।
  • যদি ৩ মিনিটের কম সময়ের ভিডিও হয়, তাহালে সেই ভিডিওতে ভিউ ads breaks এ যুক্ত হবে না। তাছাড়া, ৩ মিনিটের কম সময়ের ভিডিও গুলোতে এড বা বিজ্ঞাপন দেখানো হবে না।

উপরে বলা সকল নিয়ম গুলো যদি আপনার পেজে মেনে কাজ করতে পারেন, তাহালে আপনি পেজে ad breaks ব্যবহার করে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

(৪) ফ্রিল্যান্সিং (freelancing) থেকে অনলাইন ইনকাম করুন

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার পরে আপনি বিভিন্ন অনলাইন freelancing সাইট বা মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করতে পারবেন। এই সকল সাইট গুলোতে বিভিন্ন ক্লায়েন্ট (clients) রা বিভিন্ন ধরকের কাজ করানোর জন্য ফ্রিল্যন্সার দের খুঁজে থাকেন।

তাছড়া নতুন ফ্রিল্যন্সার রা কাজ খোঁজার জন্য এই সাইট গুলো ব্যববহার করেন। এখানে হাজার হাজার মানুষরা তাদের কাজ করানোর জন্য দক্ষ এবং বিশ্বাসী freelancer দের খুঁজে থাকেন।তাহালে চলুন আমরা জেনে আসি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কোন কোন সাইট গুলো ব্যবহার করতে পারি।

ঘরে বসে কাজ করার ৪ টি ফ্রিল্যান্সিং সাইট

Upwork – বর্তমানে upwork হলো অনেক জনপ্রিয় একটি ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট। সেখানে ১২ মিলিয়ান ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করছেন এবং টাকা আয় করছেন। এখানে প্রায় সকল ধরনের কাজ করানোর জন্য মানুষরা freelancer দের খুঁজে থাকেন। প্রতি বছর ৩ মিলিয়ানের বেশি কাজ পোষ্ট করা হয় এই সাইটে।

Fiverr – fiverr অনেক পুরানো এবং বিশ্বাসী একটি ফ্রিল্যান্সিং সাইট। এখানে আপনি প্রায় সব ধরনের কাজ করতে পারবেন। এখানে প্রতিটা কাজ শুরু হয় $৫ ডলার থেকে। “graphic design, web design, SEO, digital marketing, programing, content writing সহ আরো অনেক ধরনের কাজ করতে পারবেন।

Freelancer – নতুনদের জন্য freelancer.com এই সাইটটি অনেক কাজের। এখানে ১৩৫০ টি আলদা আলদা ক্যাটাগরিতে মানুষরা কাজ করছেন। যেমন- Internet marketing, SEO, Photoshop, graphic design, web design, mobile app সহ আরো নানা ধরনের কাজ গুলো করতে পারবেন।

Guru – guru একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট সেখানে ৩০ লক্ষের বেশি মানুষরা কাজ করছেন এবং ১০ লক্ষের বেশি কাজ করানো হয়েছে। এখানে আপনি প্রায় সকল ধরনের ক্যাটাগরিতে কাজ করতে পারবেন। এখানে নিজের একটি প্রোফাইল তৈরি করে নিজের কাজের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান, দক্ষতা সব গুলো উল্লেখ করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে গিয়ে কি করবেন?

প্রথমে ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনাকে এতটি “প্রোফাইল (profile)” বা “একাউন্ট” তৈরি করতে হবে। একাউন্ট তৈরি করার পরে আপনার প্রোফাইলে কাজের “অভিজ্ঞতা, জ্ঞান” দক্ষতা (skill), social profile, পড়াশুনা, প্রোফাইল পিকচার সহ সব কিছু লিখতে হবে।

তাছাড়া, প্রোফাইলে এটাও লিখতে হবে আপনি কিভাবে “clients” দের জন্য কাজ করবেন এবং কি কি কাজ করতে পারবেন। এবং তারা কেন আপনাকে কাজে বেঁচে নিবে সেটাও লিখতে হবে ছোট করে।

যে সকল ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট গুলোতে আপনি কাজ করতে চান সেখানে প্রোফাইল তৈরি করে উপরে বলা সমস্ত ডিটেলস গুলো সুন্দর ভাবে সাজিয়ে লিখতে হবে। এতে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভবনা বেশি হবে এবং ততটাই বেশি পরিমানে টাকা আয় করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা আয় করা যাবে?

আসলে সঠিক ভাবে বলা সম্ভব হয় না যে ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা আয় করতে পারবেন আপনি। কারণ এটা এক ধরনের ব্যবসা। এখানে আপনার কাছে যত বেশি পরিমানে কাজ আসতে ততটাই বেশি আপনি টাকা আয় করতে পারবেন।

সহজ ভাবে বললে, ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে প্রচুর পরিমানে লাভ রয়েছে এবং আপনি লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন নিজের ঘরে বসে কাজ করে। কিন্ত এটার জন্য আপনাকে সম্পর্ন ভরসা করতে হবে কতজন আপনাকে কাজ দিচ্ছে সেটার উপর। তাছাড়া সেটার উপর নিভর্র করে আপনার আয় হবে।

বর্তমান ইন্টারনেটের দুনিয়াতে অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষরা ছোট ছোট কাজের জন্য অফিসে একজন কর্মীচারী রেখে তাকে বেতন দেওয়ার চেয়ে একজন freelancer কে দিয়ে কাজ করানো অনেক সহজ এবং কম খরচে কাজ করে নিতে পারবেন।

তাছাড়া, আপনার কাজের উপরে যত বেশি জ্ঞান, দক্ষতা থাকবে ততটাই বেশি টাকা আপনি কাজ করে নিতে পারবেন। আর ধীরে ধীরে কাজের দক্ষতা (skill) এর সাথে আয়ের পরিমান বৃদ্ধি পাবে।

(৫) এফিলিয়েট মার্কেটিং (affiliate marketing) করে অনলাইন ইনকাম করুন

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে মানুষ প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে। আপনি প্রথম থেকে চেষ্টা করলে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করতে পারবেন। কিন্ত affiliate marketing করার জন্য আনাকে অবশ্যই একটি সময় নিয়ে বুঝতে হবে। মানে আপনাকে কিছু জায়গাই দক্ষ (Expert) হতে হবে।

 মনে করুন, আপনি ব্লগে বা ইউটিউব চ্যানেলে ডোমেইন হোস্টিং এর লিংক প্রোমোট করলেন। এখন ১ মাসে আপনার প্রোমোট করা লিংক থেকে ১৫ জন ক্রয় করলো। প্রতিটা প্রোডাক্ট থেকে আপনি কমিশন পেলেন ২০% করে। আর বিক্রয় করা প্রোডাক্টের মূল্য ৫০০০ টাকা করে। তাহালে ১ মাসে আপনার ইনকাম হবে।

প্রোডাক্টের মূল্য ৫০০০ x ১৫ = ৭৫০০০ টাকা

আপনি কমিশন পচ্ছেন ৭৫০০০ ÷ ২০ = ৩৭৫০ টাকা

তাহালে আপনি একমাসে ৩৭৫০ টাকা কমিশন পাবেন। আর আপনি যত বিক্রয় করতে পারবেন ততো আপনার বেশি কমিশন আসবে। এভাবে ধীরে ধীরে আপনি বেশি পরিমানে ইনকাম করতে পারবেন।

লাভজনক এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট গুলো

আপনি ছোট বড় সব ধরনের অনলাইন কোম্পানির affiliate program ব্যবহার করতে পারেন। তবে, তাদের মধ্যে এমন বিখ্যাত কিছু নেটওয়ার্ক আছে যারা আপনাকে বেশি পরিমানে কমিশন দিবে। সেই সমস্ত এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক গুলো নাম নিচে উল্লেখ করছি।

  1. Amazon affiliate program
  2. Filpkart affiliate program
  3. Ebay affiliate program
  4. Go daddy (domain history) affiliate program
  5. Hostgator affiliate program

এগুলো ছাড়াও আপনি আরো অনেক গুলো এফিলিয়েট প্রোগ্রাম পাবেন। তারাও আপনাকে ভালো পরিমানে কমিশন দিবে। তাদের নাম জানতে Google এ গিয়ে affiliate program লিখে সার্চ দিয়ে বিস্তারিত জেনে জয়েন (join) করে কাজ করুন।

affiliate marketing সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন এবং তার উত্তর

প্রশ্ন – ১: affiliate program এ জয়েন করতে কত টাকা লাগে? 

উত্তরঃ এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ জয়েন করতে আপনার কোনো টাকার প্রয়োজন হবে না। আপনি সম্পর্ন ফ্রিতে জয়েন করতে পারবেন।

প্রশ্ন – ২: affiliate product কিভাবে প্রোমোট করবো?

উত্তরঃ এফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রোমোট বা মার্কেটিং করার জন্য সেরা উপায় গুলো হলো ব্লগ ওয়েবসাইট, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ এর মাধ্যমে প্রোমোট করা। সেখানে প্রচুর সংখ্যক ট্রাফিক থাকতে হবে।

প্রশ্ন – ৩: কি ধরনের প্রোডাক্ট প্রমোশন বা মার্কেটিং করবেন?

 উত্তরঃ বর্তমানে কিছু লাভজনক পন্য বিক্রয় হওয়া প্রোডাক্ট হলো – 

  • মোবাইল / স্মার্টফোন
  • বই (Books)
  • ডোমেইন ও হোস্টিং
  • ওয়ার্ডপ্রেস থিম (WordPress theme)
  • জামা কাপড়
  • ল্যাপটপ (Laptop)
  • আরো অনেক প্রোডাক্ট

এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে আয় করা টাকা কিভাবে তুলবেন?

এফিলিয়েট থেকে আয় করা টাকা আপনি নিজের ব্যাংক একাউন্টে নিতে পারবেন। তাছাড়া এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কমিশনের টাকা গুলো আপনি মাস্টার কার্ড এ নিতে পারবেন। সেখানে টাকা নেওয়ার জন্য সব রকমের অপশন পাবেন।

(৬) অনলাইন সার্ভে (online survey) করে অনলাইন ইনকাম করুন

অনলাইন সার্ভে করে ইনকাম করার জন্য আপনাকে এমন সব ওয়েবসাইটে যেতে হবে যেখানে আপনারা সার্ভে কাজ পাবেন। এবার সেই ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনাকে একটি একাউন্ট বা প্রোফাইল বানাতে হবে।

একাউন্ট বানিয়ে নেওয়ার পরে সেই সার্ভে ওয়েবসাইট থেকে আপনাকে প্রতিদিন নতুন নতুন সার্ভে কাজ দেওয়া হবে। আপনি সময় নিয়ে দিনে ১ থেকে ২ ঘন্টা survey গুলোর উত্তর দিয়ে সেগুলো সম্পর্ন করুন।

প্রায় সার্ভে গুলো সম্পর্ন করতে আপনার সময় নিবে ৫ থেকে ১৫ মিনিট। তবে, এটা সম্পর্ন ভাবে নির্ভর করবে প্রতিটা আলদা আলদা সার্ভের ওপরে। সার্ভের মধ্যে থাকা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পরে সেই অনলাইন সার্ভে (online survey) টি আপনাকে কিছু টাকা দিবে।

প্রতিটি সার্ভে সম্পর্ন করার জন্য আপনি কত টাকা পাবেন সেটা আগে আপনাকে বলে দেওয়া হবে। আর এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টাকা আয় করা হলো পেইড সার্ভে এর নিয়ম।

তাহালে চলুন নিচে থেকে আমরা সেরা ৪ টি অনলাইন সার্ভে ওয়েবসাইট গুলো সম্পর্কে বিস্তরিত ভাবে জেনে আসি। 

সেরা ৪ টি পেইড সার্ভে ওয়েবসাইটের নাম

১. Ysense.com

ysense সার্ভে ওয়েবসাইট অনেক জনপ্রিয় এবং লাভজনক বলে প্রমাণীত হয়েছে। কারণ এখানে আমাদের বেশি টাকা দেওয়া পেইড সার্ভে অনেক বেশি দেওয়া হয়। সহজে বলতে গেলে এখানে আপনি প্রতিদিন নতুন নতুন সার্ভে পাবেন।

এখানে ইনকামের বিষয়টা সম্পর্ন ভাবে নির্ভর করে সময়ে দেওয়ার উপর। আপনি যদি ysense ওয়েবসাইটে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ ঘন্টা কাজ করেন তাহালে ৮ থেকে ৯ ডলার আয় করতে পারবেন।

ysense থেকে আপনারা অন্য ভাবে ও টাকা আয় করতে পারবেন। যেমন- cash offer, mobile app installation, referrals, small tasks etc. এখানে ছোট ছোট cash tasks করার জন্য আপনাকে $০.০১ ডলার দেওয়া হবে। মানে ১০০ টি cash offer tasks করলে পেয়ে যাবেন $১ ডলার।

তাছাড়া প্রতিটি সার্ভে সম্পর্ন করার জন্য আপনাকে ০.২০ সেন্ড থেকে ১ ডলার পর্যন্ত দেওয়া হবে। আপনার আয় করা টাকা “Paypal” বা “payoneer” এর মাধ্যমে তুলতে পারবেন।

২. Paidviewpoints.com

এখানে প্রতিটি সার্ভে সম্পর্ন করার মার্কেট রিচার্স এর জন্য কিছু পরিমানে টাকা উপহার দেওয়া হয়। যদিও এই সার্ভে সম্পর্ন তেমন কোনো ভালো রিভিউ পাওয়া যায় নি। তবে, কিছু সংখ্যাক মানুষরা এখানে সার্ভে করে টাকা আয় করেছে।

এজন্য এই ওয়েবসাইটটি কতটা জেনুইন সেটা বলা একটু কঠিক হয়ে যাচ্ছে। এখানে register বা sing up করলে আপনি পাবেন $১ ডলার। আপনার একাউন্টে যখন $১৫ ডলার জমা হবে তখন আপনি Paypal এর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন।

৩. Viewpointpanel.com

Viewpointpanel থেকে আপনি paid survey করে টাকা আয় করতে পারবেন। এখানে সম্পর্ন ফ্রিতে একাউন্ট তৈরি বা রেজিস্টার করতে পারবেন। একাউন্ট তৈরি করার পরে survey থেকে invitation পাঠানো হবে।

আর প্রতিটি সার্ভে নিয়ন্ত্রক করার জন্য আপনাকে নিদিষ্ট সংখ্যায় টাকা দেওয়া হবে। Viewpointpanel আপনার জন্য অনলাইনে টাকা আয় করার জন্য ভালজনক হিসাবে প্রমাণীত হয়েছে।

এখানে প্রতিটি সার্ভে সম্পর্ন করার জন্য আপনাকে $০.৫০ থেকে $১০ ডলার পর্যন্ত দেওয়া হয়। তাছাড়া আপনার একাউন্টে যখন $১২.৫০ ডলার জমা হবে তখন আপনি PayPal এর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন।

৪. Neobux.com

Neobux একটি জনপ্রিয় এবং বিশ্বাসী online ptp website, এখানে আপনারা সার্ভে করার পাশাপাশি আরো অনেক ধরনের কাজ করে টাকা আয় করতে পারবেন। যেমন- অনলাইন বিজ্ঞাপন দেখে টাকা আয় করতে পারবেন।

ইন্টারনেট থেকে আমি এমন অনেক রিভিউ পড়েছি যেখানে Neobux সেরা ওয়েবসাইট বলা হয়েছে এবং তারা প্রতি মাসে টাকা আয় করছেন। মনে রাখবেন, Neobux হলো paid survey করে এবং বিজ্ঞাপন দেখে টাকা আয় করার সেরা ওয়েবসাইট।

(৭) অনলাইন টাইপিং জব (online typing job) করে অনলাইন ইনকাম করুন

বর্তমানে হাজার হাজার ছেলে মেয়েরা ঘরে বসে কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের টাইপিং কাজ করে অনলাইনে টাকা আয় করছে। এই সকল কাজ গুলোর মধ্যে উল্লোখ যোগ্য হলো,

  • Data entry
  • Captcha entry
  • Image to text
  • From filling

উপরের কাজ গুলো আপনারা পার্ট-টাইম জব বা ফুল-টাইম জব দুই ভাবে করতে পারবেন। তবে, এই কাজ গুলো ফুল-টাইম জব হিসাবে পাওয়া একটু কঠিন। তাই আমি আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের বলবো কয়েকটি ফুল-টাইম টাইপিং জব সম্পর্কে।

Data entry job

অনলাইন টাইপিং জবের কথা যদি বলা হয় তাহালে প্রথমে আসে ডাটা এন্ট্রি কাজের নাম। বর্তমানে আমাদের দেশের অনেক মানুষরা এই কাজের সংঘের সাথে জড়িত রয়েছে। আপনারা এই ডাটা এন্ট্রির কাজ অনলাইন এবং অফলাইন দুই ভাবে করতে পারবেন।

ডাটা এন্ট্রির জব গুলো বিভিন্ন ডকুমেন্ট “Microsoft word” এর মধ্যে টাইপ করতে হয়। এই ডাটা এন্টির কাজে আপনার যদি ভালো দক্ষতা থাকে তাহালে ভালো পরিমানে টাকা আয় করতে পারবেন।

আপনাদের সুবিধার জন্য নিচে বিভিন্ন ধরনের Data entry job এর নাম উল্লেখ করছি। যেমন-

  • Copy & Paste Work
  • Converting clients digital / image files into word documents

আপনারা যদি উপরেন ডাটা এন্ট্রি কাজ গুলো করতে চান তাহালে fiverr, upwork এই ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে একাউন্ট তৈরি করে কাজ গুলো খুঁজে করতে পারবেন।

তাছাড়া, আপনাদের যদি ডাটা এন্ট্রির কাজের উপর ১ থেকে ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকে তাহালে নিচের Data entry job গুলো করতে পারবেন। আমি কয়েকটি ওয়েবসাইটের নাম বলে দিয়েছি।

  • AccuTran Global
  • Capital Typing
  • Amazon Mechanical Turk
  • Axion Data Entry Service
  • Uicktate or idictate

Captcha entry

অনলাইনে এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখান থেকে আপনারা ক্যাপচা এন্ট্রির কাজ করে প্রতি ঘন্টায় $১ থেকে $৩ ডলার আয় করতে পারবেন। এমনিতে ক্যাপচা পূরণ করা অনেক সহজ। এখানে আপনাকে দুই ওয়ার্ড শব্দ টাইটিং করতে হবে। 

এছাড়াও বিভিন্ন বাস, পাহাড়, ট্রাফিক লাইট ইত্যাদির বস্তুর ছবি দেখিয়ে চিহ্নিত করতে বলা হবে। আপনারা হয়তো লক্ষ করেছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় অনেক ক্ষেত্রে ক্যাপচা পূরণ করতে বলা হয়।

সেই ভাবে আপনি যদি এই কাজে যুক্ত হতে চান, তাহালে ঔ ধরনের কাজ আপনাক দেওয়া হবে। এবং আপনাকে সেই কাজ গুলো করতে হবে। এই ক্যাপচা পূরনের কাজ গুলো করতে আপনার তেমন কোনো দক্ষতার প্রয়োজন হবে না।

ক্যাপচা পূরন করে টাকা আয় করার জন্য আমি নিচে কয়েকটা জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের নাম বলে দিয়েছি। যেমন-

  • Captcha2Cash
  • Mega Typers
  • Captcha Tyers
  • Kolotibablo

Micro Job

আপনার যদি একটি কম্পিউটার থাকে তাহালে আপনি নিজের ঘরে বসে এই অনলাইন জবটি করতে পারবেন। যেখানে কোনো Micro Job প্লাটফার্ম দ্বারা আপনাকে হাজার হাজার সিম্পল টাক্স দেওয়া হবে।

আপনি যখন কোনো crowd sourcing প্লাটফার্মের সাথে যুক্ত হবেন, তখন একাউন্টে লগইন করে বিভিন্ন ধরনের tasks গুলো পাবেন। এখান থেকে নিজের পছন্দ মতো টাক্স গুলো পছন্দ করে কমপ্লিট করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।

আপনারা এখান থেকে প্রতিটা টাক্স এর উপর আলদা আলদা কমিশন পাবেন। এবং আপনার টাকা আয়ের বিষয়টা সম্পর্ন ভাবে নির্ভর করবে আপনি কত স্পিডে টাইপিং করতে পারবেন সেটার উপর।

Transcription

টাইপিং করে আয় করার সব থেকে সহজ এবং জনপ্রিয় জব হলো Transcription. আপনাদের টাইপিং স্পিড যদি প্রতি মিনিটে ৬০ wpm হয়ে থাকে এবং ইংলিশ স্কিল যদি ভালো থাকে তাহালে এটাই আপনাদের জন্য সেরা।

ট্রানস্ক্রিপশন জবের মধ্যে জয়েন হলে সেখানে আপনাকে বিভিন্ন অডিও ফাইল, ভিডিও ফাইল গুলো পাবেন। এবং সেগুলোকে নির্দিষ্ট ভাষাতে কনভার্ট করতে হবে। আমি নিচে কয়েকটি জনপ্রিয় ট্রানস্ক্রিপশন জব ওয়েবসাইটের নাম বলে দিয়েছি,

  • Rev
  • GMR Transcription
  • Temi
  • GoTranscript
  • Scribie

অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়ে

অনেকে জিজ্ঞেস করবেন যে ভাই মোবাইল দিয়ে কি অনলাইন ইনকাম করা সম্ভব কি? এই প্রশ্নের উত্তরে আমি বলবো “না”। আপনি মোবাইল দিয়ে অনলাইন ইনকাম করতে করতে পারবেন না।

আমি উপরে অনলাইনে আয় করার যে উপায় গুলো বলেছি সে কাজ গুলো করার জন্য আপনাকে মোবাইল থেকে কম্পিউটার দিয়ে ভালো ভাবে করতে পারবেন।

তবে, আমি এটা একেবারে বলবো না যে মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে একেবারে আয় করা যাবে না। এমন অনেক মানুষ রয়েছে যারা তাদের ফেসবুক পেজ মোবাইলের মাধ্যমে পরিচালনা করছে এবং বিজনেস বড় করে তুলছে।

আবার অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা মোবাইলে ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড দিয়ে লাখ লাখ সাবস্ক্রাইব (subscribes) ও ভিউস (views) পেয়েছে।

তবে, আপনি যদি সত্যিই প্রফেশনালভাবে অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে চান, তাহালে এটার জন্য আপনাকে ভালো মানের একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ প্রয়োজন হবে।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট

অনেকে একটি প্রশ্ন করে মোবাইল দিয়ে অনলাইনে টাকা আয় করে সেটা কি বিকাশে পেমেন্ট নেওয়া যায়? এই প্রশ্নের জবাবে বলতে হয় ” না”। আপনি online income করে বিকাশে পেমেন্ট দিতে পারবেন না।

তবে, বাংলাদেশে এমন কিছু সাইট রয়েছে যেখানে থেকে সরাসরি বিকাশে পেমেন্ট দেয়। এই সব সাইট গুলো যদি রিয়েল হয় তাহালে অবশ্যই টাকা পাবেন। আর যদি রিয়েল না হয় তাহালে কিন্ত টাকা দিবো না। তাই জেনে বুঝে রিয়েল সাইটে কাজ করুন।

আর বাহিরের দেশের কোনো সাইটে কিন্ত বিকাশে পেমেন্ট দেয় না। শুধুমাত্র online income bd কিছু অ্যাপস বা সাইট রয়েছে যেখানে online income bd payment bkash দিয়ে থাকে।

আজকে আমরা কি শিখলাম

তাহালে বন্ধুরা আজকে আমরা শিখলাম, অনলাইন ইনকাম (online income) করে ঘরে বসে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার উপায় সম্পর্কে। বর্তমানে হাজার হাজার যুবক এই কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে পথে নেমেছে। 

আমাদের বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৬.৫ লাখের বেশি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। যারা নিয়মিত ভাবে ইন্টারনেট থেকে আয় করছে। শেষে আমার লেখাটি যদি আপনার কাছে ভালো লাগে তাহালে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না।

4 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে