মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করার উপায় 2022

মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন যায় এমন কথা আমরা অনেক শুনেছি। আমাদের ব্লগিং করে ইনকাম করা যায় এমন কথা শুনতে শুনতে বিরক্ত করা হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এটা জানি না যে ব্লগিং করে কিভাবে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। সত্যিই কি আসলে মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব? মোবাইল দিয়ে কিভাবে ব্লগিং শুরু করা যায়।

এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আপনারা ইউটিউব কিংবা গুগলে গিয়ে অনেক খোজাখুজি করেন। কিন্তু সঠিক উত্তর এবং সঠিক তথ্য খুঁজে না পাওয়ার কারণে মোবাইল দিয়ে ব্লগিং শুরু করতে পারেন না কিংবা দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে যান।

তো আপনি যদি আজকের এই আর্টিকেলটি খুব ভালোভাবে পড়ে ফলো করেন। সেক্ষেত্রে আশা করা যায় আপনি মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করার সমস্ত কিছু শিখে যাবেন। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

আসলে মোবাইল দিয়ে ব্লগিং শুরু করার নিয়ম কি। মোবাইল দিয়ে ব্লগিং কিভাবে শুরু করতে হয়। মূলত এই সব বিষয় নিয়ে আজকের আর্টিকেলটি সাজানোর চেষ্টা করুন।

আপনাদের মধ্যে যারা মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে কিংবা মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে অর্থ উপার্জন করার জন্য বসে আছেন। তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি অনেক উপকারে আসবে। আর্টিকেলটি যদি আপনি শেষ পর্যন্ত পারেন অবশ্যই অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার সেরা উপায় – 2022

সাধারণত মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করে কিংবা ওয়েবসাইট তৈরি করে অনেক পদ্ধতিতে উপার্জন করা সম্ভব। তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রসিদ্ধ উপায়টি হলো গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ইনকাম করা। এমনকি অনেক ব্লগার আছে বা ওয়েবসাইটের মালিক আছে যারা কিনা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করে থাকে।

যেমন আপনিও এই ওয়েবসাইটটির কথা চিন্তা করতে পারেন। মূলত এই ওয়েবসাইটটি থেকেও গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম করা যায়। তো আজকে আমরা মূল বিষয়ের দিকে অগ্রসর হওয়ার আগে সর্বপ্রথম জানব গুগল এডসেন্স আসলে কি।

গুগল এডসেন্স কি?

গুগল এডসেন্স হচ্ছে গুগলের একটি সেবা। যার মাধ্যমে বিশ্বের নামিদামি ব্যক্তিবর্গ তাদের ব্যবসা কিংবা প্রতিষ্ঠানকে প্রচার ও প্রসার করার জন্যে এই মাধ্যমটি কে ইউজ করে। অর্থাৎ গুগলকে নির্দিষ্ট মানুষের কাছে তাদের পণ্য কিংবা প্রতিষ্ঠানের পৌঁছানোর জন্য বা রিচ করানোর জন্য নির্দিষ্ট একটি অংকের টাকা গুগলের কাছে প্রদান করতে হয়। মূলত সেটিই হচ্ছে গুগল এডসেন্স।

আর যদি সহজ ভাষায় বলতে যায় তাহলে বলা চলে যার মাধ্যমে ইউটিউবার, ব্লগার এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রা টাকা উপার্জন করে থাকে। যেমন আমরা যখন ইউটিউবে কোন একটা ভিডিও দেখি তখন মাঝে মাঝে কিছু এড চলে আসে ঠিক তেমনি গুগোল এ গিয়ে কিছু নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে যখন আমরা কোন একটা আর্টিকেল পড়ি তাহলে দেখা যায় মাঝে মাঝে কিছু কিছু চলে আসে।

ঠিক তেমনি প্লে স্টোর থেকে আমরা যখন কোন একটা অ্যাপস ইন্সটল করে সেটা ইউজ করি তখন সে ক্ষেত্রে দেখা যায় অর্থাৎ ইউজ করার সময় মাঝেমধ্যে কিছু এড চলে আছে। যার মাধ্যমে ইউটিউবার, ব্লগার কিংবা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এর অর্থ উপার্জন করে তাকে।

ব্লগিং কি?

আমরা মূল বিষয়ের দিকে যাওয়ার আগে অবশ্যই আগে জানতে হবে ব্লগ এটা কি। ব্লক হচ্ছে মূলত একটি ইংরেজী শব্দ যার আভিধানিক অর্থাৎ বাংলা অর্থ হচ্ছে ভার্চুয়াল ডায়েরি। অথবা আপনি বলতে পারেন ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত দিনলিপি। মূলত Blog শব্দটি হচ্ছে একটি সংক্ষিপ্ত রূপ webblog এর। মূলত 1997 সালে মার্কিন নাগরিকের মধ্যে একজন নাগরিক জোম বার্গার নামে এক ব্যক্তি webblog এই নামটি উদ্বোধন করে‌।

পরবর্তীতে 1999 সালের মার্চ কিংবা এপ্রিল এর  দিকে পিটার মেরহোলজ নামে এক ব্যক্তি ওয়েবব্লগ নামটিকে পরিবর্তন করে ব্লগ নামে পরিবর্তিত করে। তারপর আস্তে আস্তে ব্লগ’ শব্দটিই প্রচার-প্রসার হতে শুরু করে।

মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করার উপায় 2022

আপনি যদি মোবাইল দিয়ে ব্লগিং শুরু করতে চান সে ক্ষেত্রে অবশ্যই একটি সর্বপ্রথম ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। আবার আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা কিনা ওয়েবসাইট তৈরি করতে জানেনা। অর্থাৎ এখন যারা বেগিনার্স আছে তাদের মধ্যে প্রশ্ন জাগতে পারে ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরি করব।

তো আপনারও যদি এরকম প্রশ্ন জাগে তাহলে এর উত্তরে আমি আপনাকে বলবো আপনাকে কে বলছে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। আপনি তো অন্য কারো সাহায্য নিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলতে পারেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

আপনি যদি অন্য কারো সাহায্য নিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান সে ক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকে সার্চ করতে পারেন। ফেসবুকে সার্চ করার পর আপনি অনেক নতুন ওয়েব ডিজাইনের বা অনেক ফ্রিল্যান্সার পেয়ে যাবেন যারা কিনা আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে সাহায্য করবে। এমনকি আপনি এমন অনেক গ্রুপ পেয়ে যাবেন যেগুলো ব্লগ রিলেটেড।

সেখানে যদি আপনি পোস্ট করেন অর্থাৎ আপনার একটা ওয়েবসাইট তৈরি করা লাগবে এরকম একটা পোস্ট করেন। তাহলে আপনি অনেক রেসপন্স পেয়ে যাবেন অনেকেই আপনাকে ফ্রিতে ওয়েবসাইট খুলে দিবে। আবার এমন অনেক প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইনের আছে যারা কিনা আপনার কাছে টাকা চার্জ করবে। তো আপনি তাদেরকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে একটি প্রফেশনাল মানের ওয়েব সাইট তৈরি করতে পারেন।

ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত টাকার প্রয়োজন

এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো তৈরি করতে আপনার অনেক টাকার প্রয়োজন হবে এমনকি 1 লক্ষ টাকা ও ইনকাম হতে পারে। আবার এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো কিনা তৈরি করতে আপনার এত টাকার প্রয়োজন হবে না। তো আপনি যেহেতু ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করবেন সে ক্ষেত্রে অবশ্যই এতগুলো টাকার প্রয়োজন হবে না।

আর একটি বিষয় হচ্ছে আপনি যখন একটা ওয়েবসাইট তৈরি করবেন সে ক্ষেত্রে একটা ডোমেইন এবং থিম এর প্রয়োজন হবে। আর সে ক্ষেত্রে ডোমেইন এবং থিম ক্রয় করার প্রয়োজন হবে।

আর অবশ্যই আপনার ডোমেইন বেঁধে ডোমেইনের প্রাইস হয়ে থাকে যেমন অধিকাংশ সময় দেখা যায় .xyz এই ডোমেইনটি 100 থেকে 120 টাকার মত হয়ে থাকে। এবং থিম ক্রয় করারও প্রয়োজন পড়ে এবং সাধারণত দেখা যায় প্রতিদিন 500 থেকে 1000 কিংবা 5000 মত হতে পারে।

মোবাইলে ব্লগিং করার উপায়

আপনি যদি একদম বিনামূল্যে একটি ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগিং শুরু করতে চান সে ক্ষেত্রে গুগোল এর অন্যতম একটি সেবা blogspot.com থেকে আপনার ব্লগ ওয়েবসাইটটি খুব সহজেই তৈরি করে ফেলতে পারবেন। তবে আপনি যদি একটি প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান সে ক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে পারেন।

যদি ওয়ার্ডপ্রেসের মধ্যে টাকা করাচ্ছ তবে এখানে আপনি অনেক কিছু সহজেই ইউজ করতে পারবেন। তাছাড়া ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আরও বিভিন্ন রকম প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পাওয়া যায় ইন্টারনেটের মধ্যে যেমনঃ Blogger,WordPress,Drupal,Joomla,Magento,Wix ইত্যাদি ‌

উপরে উল্লেখিত প্লাটফর্ম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রসিদ্ধ প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ব্লগার এবং ওয়াডপ্রেস। তো খুব সহজেই যেহেতু ব্লগার থেকে কোনপ্রকার খরচ ছাড়া একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব তাই আমি আজকে আপনাদেরকে সেটা দিয়ে কিভাবে একটি ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় সেটা দেখাবো।

তাছাড়া ব্লগার হচ্ছে গুগলের সেবার মধ্যে অন্যতম একটি সেবা। যেহেতু ব্লগার এটাও গুগলের একটি পণ্য তাই এটার আবার আমরা সম্পূর্ণ রুপে আস্থা রাখতে পারি। তাছাড়া আপনি যেহেতু বিগিনার সেক্ষেত্রে আপনার জন্য এটাই সবচেয়ে বেটার। কেননা এটাতে কাজ করে অনেক সহজ এবং কোন প্রকারের ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয় না।

ব্লগ তৈরি করার নিয়ম। ওয়েবসাইট তৈরি করার নিয়ম

আমি এখন আপনাদেরকে জানাবো কিভাবে একটি ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয়। আপনি যদি নিচে দেওয়া সমস্ত কিছু ভালোভাবে পড়ে অনুসরন করেন সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি একটি ভাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক। তার জন্য আপনি নিজে থেকে সমস্ত স্টেপ গুলো ফলো করুন।

১/ একটি ওয়েবসাইট কিংবা ব্লক তৈরি করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম কোন একটা ব্রাউজার এ যেতে হবে আপনি ক্রোম ব্রাউজারে যেতে পারেন। কোন একটা ব্রাউজার কিংবা ক্রোম ব্রাউজারে যাওয়ার পর সার্চ বক্সে সার্চ করুন  blogger লিখে তারপর আপনারা সামনে blogger.com এই সাইটটি চলে আসবে।

তারপর আপনাকে এই সাইটের উপরে ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর আপনার সামনে একটা পেজ ওপেন হবে যে পেজের ঠিক মাঝখানে আপনি create your blog নামে একটি অপশন পেয়ে যাবেন। আপনাকে সর্বপ্রথম সেখানে ক্লিক করতে হবে।

২/ সেখানে ক্লিক করার পর গুগল বলবে আপনার কোন একটা জিমেইল আইডি দিয়ে blogger.com এ লগইন করার জন্য। অর্থাৎ আপনি যে জিমেইল আইডি দিয়ে ব্লগ শুরু করতে চান কিংবা ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান সেই জিমেইল টা সিলেক্ট করে লগইন করে নিন।

৩/ এখন হচ্ছে মূল বিষয় অর্থাৎ কোন একটা ব্লগ তৈরি করার প্রধান যে কাজটি রয়েছে সেটি আপনাকে এখন করতে হবে। এখন আপনি জিমেইল দিয়ে লগইন করার পর আপনার একটা টাইটেল নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ আপনি ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট যে নামে তৈরি করতে চান সে রিলেটেড একটি নাম নির্বাচন করতে হবে।

যেমন আপনি যদি টেকনোলজি রিলেটেড একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন সেক্ষেত্রে technologyblog ইত্যাদি দিতে পারেন। তবে আপনাকে নামটা সিলেক্ট করতে হলে অবশ্যই এভেল এভেল থাকতে হবে সেটি। অর্থাৎ আপনি যে নামটি দিয়েছেন সেটি যদি unavailable হয় সে ক্ষেত্রে অবশ্যই unavailable দেখাবে।

৪/ কোন একটা ব্লগ তৈরি করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই পয়েন্টে। অর্থাৎ আমরা যখন কোন একটা ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট ভিজিট করি তখন নির্দিষ্ট কোন একটা ইউআরএল এর মাধ্যমে প্রবেশ করি। অর্থাৎ কমে একটা ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগে যাওয়ার জন্য কোন একটা মাধ্যম প্রয়োজন পড়ে সেটাই হচ্ছে ব্লগ ইউ আর এল।

তো এই স্টেপে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগের জন্য কোন একটা ইউআরএল সিলেক্ট করতে হবে। তবে এমন একটি ইউআরএল দিতে হবে যেটা কিনা এভেলেবেল।

তার জন্য আপনি টাইটেল নির্বাচন করার পর next বাটনে ক্লিক করুন। Next বাটনে ক্লিক করার পর আপনার ওয়েবসাইটের জন্য একটি ইউ আর এল নির্বাচন করতে পারবেন।

যেমন আপনি যেহেতু আপনার ব্লগের টাইটেল দিয়েছিলেন technology blog তো এখন আপনি আপনার ওয়েবসাইটের ইউআরএল এভাবে সিলেট করতে পারেন যে technologyblog.blogspot.com । তবে এই নামটি অবশ্যই এভেল এভেল থাকতে হবে। 

তবে টাইটেল নির্বাচনের ক্ষেত্রে ডোমেইন নেইম অর্থ ইউ আর এল সেই টাইটেল অনুযায়ী এভেলেবেল আছে কিনা দেখবেন। কেননা এক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগের যেমন সৌন্দর্য ফুটে উঠবে তেমনি আপনার ওয়েবসাইট খুব দ্রুত রেংক করতে সাহায্য করবে। যদিও বা ব্লগের টাইটেল নির্বাচন করার সময় সেটা এভেলেবেল এবং আনেভেলেবেল সেটা দেখাই যায় না।

মোবাইল দিয়ে ব্লগিং যদি আপনিও শুরু করতে চান সেক্ষেত্রে অবশ্যই উপরে দেওয়া সমস্ত স্টেপ গুলো ফলো করতে পারেন। তবে উপরে দেওয়া সমস্ত কার্যক্রম যদি আপনি ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারেও করেন সেক্ষেত্রে কোন প্রকার সমস্যার সম্মুখীন হবেন না।

কেননা উপরে দেওয়া সমস্ত কিছু মোবাইল ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার প্রত্যেকটির জন্য প্রযোজ্য। কেননা শুধুমাত্র উপরে দেওয়া স্টেপ গুলো অবলম্বন করে blogger.com এ ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ তৈরি করা হয়।

মূলত আজকের এই আর্টিকেলটি আমি মোবাইল দিয়ে ব্লগিং যারা শুরু করতে চান তাদেরকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে। আজকের এই আর্টিকেলটি যদি আপনার সামান্যই উপকার হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার বন্ধু-বান্ধব কিংবা আত্মীয়স্বজনের কাছে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

কেননা হয়তো আপনার একটা শেয়ার এর কারণে অনেক লোকজন অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবে। আশা করি আরেকটি আর্টিকেল নিয়ে আসা পর্যন্ত ভালো থাকবেন। দোয়া চাই দোয়া করি ধন্যবাদ।

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap