Plagiarism কপিরাইট আর্টিকেল চেকার ৬ টি সেরা উপায়

plagiarism চেকার টুলসঃ আপনি নিজের ব্লগের জন্য যত ভালো ভাবেই আর্টিকেল লেখেন না কেন, সেটা যদি প্ল্যাগারিজম থাকে তাহালে, সেই আর্টিকেলের কোনো ভ্যালু থাকে না। মনে রাখবেন, গুগল প্ল্যাগারিজম আর্টিকেল গুলো রেংক তো দুরের কথা, সম্পর্ন সাইটকে ব্ল্যাক লিস্টে ফেলে রাখতে হবে। এজন্য আপনি নিজের আর্টিকেল গুলো নিজে লেখেন বা অন্য কারও দিয়ে লেখান, সেটা অবশ্যই plagiarism ফ্রি আর্টিকেল হতে হবে।

আসলে প্ল্যাগারিজম বলতে বুঝানো হয়েছে আপনার আর্টিকেল ইউনিক কিনা। মনে রাখবেন, কোথাও থেকে আপনি যদি আর্টিকেলটি কপি করে নিয়ে আসেন তাহালে প্ল্যাগারিজম কন্টেন্ট।

ইন্টারনেটে আপনার আর্টিকেল প্ল্যাগারিজম কিনা সেটা চেক করার জন্য অনেক গুলো পেইড এবং ফ্রি টুলস রয়েছে। তবে, আজকে আমি free plagiarism checker tools গুলো সম্পর্কে বলবো। যে plagiarism checker website গুলোতে আপনি সহজে ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন।

আমি আগেই বলেছি কন্টেন্ট প্ল্যাগারিজম কিনা সেটা চেক করার জন্য অনেক গুলো টুলস রয়েছে। যার মধ্যে সেরা এবং জনপ্রিয় টুলস হলো CopyScape. কিন্ত এই টুল (tool) টি প্রিমিয়াম টুল। এটা ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই আপনাকে টাকা দিয়ে কিনে নিতে হবে।

বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের বলবো ৬ টি সেরা প্ল্যাগারিজম চেকার টুলস সম্পর্কে। তাহালে চলুন নিচে থেকে জেনে আসি।

৬ টি সেরা plagiarism চেকার টুলস

(১) Dubli Checker

এটা সবার প্রিয় একটি প্ল্যাগারিজম ফ্রি আর্টিকেল চেকার টুলস। এটার ইন্টারফেস গুলো খুবই সেজা। এটা সম্পর্ন ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন।  এটার জন্য কোনো টাকা প্রদান করা লাগবে না। আপনি আর্টিকেলটি কপি করে বা ফাইল আপলোড করে plagiarisma check করতে পারবেন। এই ওয়েবসাইটে আপনি যদি রেজিস্টারড করে তাহালে দিনে সর্বোচ্চ ৫০ বার চেক করতে পারবেন।

এখানে আপনার লেখা আর্টিকেল গুলো ১০০০ শব্দের বেশি একবারে চেক করতে পারবেন না। এখানে প্ল্যাগারিজম চেক করা সহ আরো নানা ধরনের তথ্য চেক করতে পারবেন। আমি নিজেও এই Dubli Checker tool ব্যবহার করি।

(২) Smallseotool

আপনার আর্টিকেল কতটুকু কপিরাইট এবং কতটুকু ইউনিক সেটা চেক করার জনপ্রিয় আর একটি টুল হলো smallseotool. এটা সম্পর্ন ফ্রিতে আপনি ব্যবহার করতে পারবে। এখানে সরাসরি কপি করে, লিংকের মাধ্যমে বা ফাইল আপলোড করে কন্টেন্ট চেক করতে পারবেন। এখানে আর্টিকেল চেক করার পাশাপাশি আরো নানা বিষয়ে চেক করতে পারবেন। আপনি এই টুলে ১০০০ শব্দের বেশি চেক করতে পারবেন না।

(৩) PaperRater

এটা একটি মাল্টি পারপাস প্ল্যাগারিজম ডিটেকশন টুল। যেটা বর্তমানে ১৪০ টির বেশি দেশের ব্লগাররা ব্যবহার করছে। এখানে ৩ টা সার্ভসের মাধ্যমে প্ল্যাগারিজম চেক করতে পারবেন। এই টুলে ১০০০ শব্দের বেশি একবারে চেক করতে পারবেন না।

(৪) Plagiarisma

এই ওয়েবসাইটটি মূলত তৈরি করা হয়েছে রাইটার, স্টুডেন্ট এবং টিচারদের জন্য। এখানে ১৪০ টির বেশি ভাষা সাপোর্ট করে এবং ৩ টি ভাবে আর্টিকেল গুলো চেক করতে পারবেন। এই টুলস সহজে ব্যবহার করার জন্য ফায়ার বক্স এবং ক্রোম এক্সটেনশন রয়েছে। এখানে ১০০০ শব্দের বেশি আর্টিকেল চেক করতে পারবেন না।

(৫) Copyleaks

এটা একটি ক্লাউড বেজড প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজে plagiarism চেক করতে পারবেন। প্রতিটা টুলসের মতো এখানেও আপনি এক হাজার শব্দের বেশি চেক করতে পারবেন না। এখানে আপনি বিভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজের কন্টেন্ট চেক করতে পারবেন। সর্বোচ্চ ১০০০ ওয়ার্ডের বেশি চেক করতে পারবেন না।

(৬) Plagiarism Checker

এই টুলটি খুব ইউজার ফ্রেন্ডলি এবং জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এটার বড় এবটা বিশেষ গুন হলো কেউ যদি আপনার ব্লগের কন্টেন্ট কপি করে ব্যবহার করে তাহালে এই টুল আপনাকে ইমেইল নোটিফিকেশন এর মাধ্যমে জানিয়ে দিবে। এখানে ১ হাজার শব্দের বেশি সংখ্যক আর্টিকেল চেক করতে পারবেন না।

আপনি উপরের যে কোনো একটি plagiarism checker tools ব্যবহার করে আপনার আর্টিকেল বা কন্টেন্ট গুলো চেক করতে পারবেন।

আজকে আমি কি শিখলাম

তাহালে আজকে আমি জানলাম আর্টিকেল গুলো চেক করার সেরা ৬ টি প্ল্যাগারিজম চেকার টুলস সম্পর্কে। এই আর্টিকেল সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্টে জানান এবং আমার লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap